নিজস্ব প্রতিবেদক :
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাসুদেবপুরে অনুষ্ঠিত হলো শ্রীশচন্দ্র বিদ্যানিকেতনের উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬।
১৮ই এপ্রিল শনিবার বিকেলে, জমকালো এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ অ্যাডভোকেট এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ধানের শীষের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মোঃ শফিকুল ইসলাম (বুলবুল)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ রহিম নেওয়াজ এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ দুলু বাসুদেবপুরের উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,নকল করে বা অন্য পম্থায় পাশ করার সুযোগ দেবেনা বিএনপি সরকার, পড়া লেখা করে পাশ করতে হবে “শ্রীশচন্দ্র বিদ্যানিকেতনকে সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা হবে এবং বিদ্যালয়ের মাঠকে আধুনিক স্টেডিয়ামে রূপান্তরিত করা হবে, যা নলডাঙ্গার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্টেডিয়াম হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
তিনি আরও ঘোষণা দেন, বাসুদেবপুরকে একটি আধুনিক শহরে রূপান্তরিত করা হবে এবং শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য এখানে একটি শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে। তার এই ঘোষণায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “ভোটের আগে অনেক অন্যায় সহ্য করেছি, কিন্তু এখন আর কোনো অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না। যদি কারো ওপর অন্যায়ভাবে জুলুম বা নির্যাতন করা হয়, তবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা দেওয়ান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব, নাসিম উদ্দিন নাসিম, নাটোরের সাবেক পৌর মেয়র শেখ এমদাদুল হক আল মামুন, নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আশিকুর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক পৌর প্রশাসক এম এ হাফিজ এবং যুবদল নেতা পাপেল তালুকদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। স্থানীয়দের মতে, এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ঘোষিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে বাসুদেবপুর অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।